কাঁচা ডিমের কুসুম খাওয়া কি নিরাপদ? ডিমের পুষ্টিগুণ

ডিম খাওয়া কতটুকু স্বাস্থ্যকর? তা বলতে গেলে বলতে হয় যে ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে । প্রতি ১০০ গ্রাম ডিমে যে পরিমান ভিটামিন সমূহ আছে তা আপনি জানলে অবাক হবেন । কারন প্রতি ১০০ গ্রাম ডিমে আছে ভিটামিন ছাড়াও আছে অধিক খাদ্য উপাদান যা আপনার প্রাতিদিনের খাদ্যের পুষ্টি অভাব পূরণ করবে । 

 

অনেকে আবার ভাবতে থাকেন যে এখন ! ডিম কি কাঁচা খাবো নাকি সেদ্ধ করে খাবো ? অনেকে আবার শরীরলে শক্তি ও মজবুত করতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কাঁচা ডিমের কুসুম খায়ে থাকে । এদিকে আবার বডি বিল্ডারদের কাঁঁচা ডিমের কুসুম পছেন্দর খাবার । এদিকে অনেকে মনে করে যে কাঁচা ডিমে ভাইরাস থাকতে পারে ? যা শরীরে জন্য ক্ষতি করতে পারে । আবার যাদের হজম শক্ত কম তাদের কাঁচা ডিমের কুুসুম না খাওয়া উচিত ।

ডিমের ছবি ও পিকচার ডাউনলোড
ডিমের কুসুম 

তবে অনেক পরীক্ষায় দেখা যায় যে কাঁচা ডিম খেলে শরীরে কোন ক্ষতি হয় না । উল্টো অনেক পুষ্টি পাওয়া যায় । আপনার শরীর যদি সুস্থ থাকে তাহলে মন ও ভালো থাকে । শরীরের যদি পযাপ্ত পুষ্টি ও ভিটামিন এ ভরপুর থাকে তাহলে আপনি বিভিন্ন রকমের রোগ তেকে বাঁচতে পারবেন । আপনি নিরাপদে থাকেতে পারবেন আরকি ।

কিছু কিছু গবেষনায় দেখা যায় যে ডিমের কুসুম বিভিন্ন ভাবে শরীরের কাজে লাগে । আপনার শরীরের পেশির গঠন ঠিক করতে ও পেশি ঠিক রাখতে কাজ করে । এনার্জি ঘাটতি পুরনে করতে সাহায্য করে থাকে । তাড়ারা শরীরের রোগ প্রতিরর্ক ক্ষমতা ঠিক রাখতে ও শরীরের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে ।

সুস্থ ও দীঘ জীবন পেতে প্রতিদিন সকালে কাঁচা ডিমের কুসুম খাওয়া নিয়োম করতে পারেন । কাঁচা ডিমের কুসুম থেকে যে যে উপাদান গুলো পাওয়া যায় । তাহলো কোলেস্টেরল এর যোগান দিয়ে থাকে । শরীরকে কে সচল রাখতে আলো কোলেস্টেরল এর পরিমান বৃদ্ধি পাওয়া একান্ত প্রয়োজন । প্রতিদিন সকালে ডিমের কুসুম খেলে দেখা যাবে যে ধিরে ধিরে আপনার শীরের কর্ম ক্ষমর্তা বৃদ্ধি পাবে যা আপনি কিছু দিন পরে বুঝতে পারবেন । যে আগের চেয়ে আরো বেশি শরীরে শক্তি বেড়েছে েএবং আর কাজ করার কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে । 

ভিটামিন এ বি ডি সমৃদ্ধ আপনার শরীরে এ ভিটামিন গুলো পরিমান যতো বাড়বে ততো আপনার দেহের পুষ্টির পরিমান বৃদ্ধি পাবে । দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পাবে । কিছু দিন আগে একটি গবেষনায় দেখা যায় যে ভিটামিন ডি ক্যান্সার  এর ৫০% ঝুকি কমিয়ে দেয় । এখন বুঝতে পারলেন ডিমির কুসুমের গুনাগুন কত । 

এলার্জি কমায় এলার্জি জন্য ডিমের কুসুম খেতে পারেন । কাচাঁ ডিমের কুসুমে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের চাহিদা মেটায় । আপনি যদি দুটি কাঁচা ডিমের কুসুম খান তাহলে আপনার কোন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কোন ঘাটতি থাকবে না । ফলে  একাধিক রোগ থেকে বাচতে সাহায্য করে । অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে এমন একটি উপাদান যে একাই আপনার শরীরের নানা বিদ্ধো রোগ থেকে মুক্ত রাখে । 

 

প্রতি ১০০ গ্রাম (৩.৫ আউন্স) পুষ্টিগত মান

 

শক্তি                                ৬৪৭ কিজু (১৫৫ kcal)

শর্করা                              1.12 g

স্নেহ পদার্থ                      10.6 g

প্রোটিন                           12.6 g

 

ভিটামিনসমূহ

 

ভিটামিন এ সমতুল্য           (18%) 140 μg

থায়ামিন (বি১)                     (6%) 0.066 mg

রিবোফ্লাভিন (বি২)                  (42%) 0.5 mg

প্যানটোথেনিক অ্যাসিড        (বি৫)(28%) 1.4 mg

ফোলেট (বি৯)                        (11%) 44 μg

 

চিহ্ন ধাতুসমুহ

 

ক্যালসিয়াম                 (5%) 50 mg

লোহা                           (9%) 1.2 mg

ম্যাগনেসিয়াম            (3%) 10 mg

ফসফরাস                   (25%) 172 mg

পটাশিয়াম                  (3%) 126 mg

দস্তা                            (11%) 1.0 mg

 

অন্যান্য উপাদানসমূহ

 

পানি                              75 g

Choline                        225 mg

Cholesterol                  424 mgশক্তি ৬৪৭ কিজু (১৫৫ kcal)

Spread the love

Leave a Comment

Your email address will not be published.