দুধের ছবি

ঠাণ্ডা নাকি গরম দুধ, স্বাস্থ্যের পক্ষে কোনটা উপকারী? দুধ পান করার সঠিক সময় | দুধের পুষ্টিগুণ

হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছো? আসা করি সকলে ভালো আছো । আমি আপনাদের দোয়াতে ভালো আছি ।আজ কে আমরা একটি খুবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করবো । আমরা সকলে দুধ ভালোবাসি । দুধে আছে অনেক পুষ্ঠি গুন । কিন্তু আমরা অনেকে মনে করি যে দুধ ঠাণ্ডা নাকি গরম খাবো । স্বাস্থ্যের পক্ষে কোনটা বেশি উপকারী? আবার দুধ পান করার সঠিক সময় কখন ? ইত্যাদি ইত্যাদি ।
দুধের ছবি
ঠাণ্ডা নাকি গরম দুধ, স্বাস্থ্যের পক্ষে কোনটা উপকারী? দুধ পান করার সঠিক সময় | দুধের পুষ্টিগুণ 
দুধের পুষ্টিগুণঃ
 
দুধের পুষ্টিগুণ বিচার করতে গেলে ঠাণ্ডা বা গরম দুধ কোনটাই কম না । দুধ একটি সুপার খাদ্য বলা যেতে পারে দুধে আছে অধিক পুষ্টিগুণ যা আপনাকে করবে রোগ মুক্ত । তবে আপনার স্বাস্থ্য অনুসারে ঠাণ্ডা নাকি গরম দুধ বেশি উপকারী তা আমরা আলোচনার চেষ্ঠা করবো ।
বাজারে পেকেট যে দুধ পাওয়া যায় তা বেশি দিন পেকেট এ ভালো রাখার জন্য নানা রকমের রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে ভালো রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে । আপনি একবার ভাবুনতো দুধ গুলো কিভাবে ভালো রাখা হয় । বাজারে পেকেট যে দুধ পাওয়া যায় আমাদের উচিত গরম করে খাওয়া । তবে ঠান্ডা করে ও খেতে পারবেন । আপনি যদি দুধ খেতে না ভালোবাসেন তা বলে দুধের উপকারিতা তো আপনি । অস্কীকার করতে পারবেন না । অনেকে মনে করে যে দুধ শুধুই ছোট বাচ্চাদের জন্য । আসলে তা নয় । আমাদের প্রতিদিন এক গ্লাস করে দুধ খাওয়া উচিত । দুধ কেউবা গরম করে খেতে বেশি ভালোবাসে , আবার কেউবা ঠান্ডা করে খেতে বেশি ভালোবাসে ।
ঠাণ্ডা নাকি গরম দুধ
 
পেকেট এর দুধে অনেক প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য থাকার ফলে আমাদের উচিত এটি গরম খাওয়া । তবে খেয়াল রাখবেন ঠান্ডা দুধ শুধু সকালে খাওয়া যেতে পারে । রাতে আবার ঠান্ডা দুধ খাওয়া যাবে না । কারণ রাতে ঠান্ডা দুধ খেলে আমাদের হজমের সম্যাস হতে পারে । ঠান্ডা দুধের েএকটি উপকারিতা হলো যে ঠান্ডা দুধ ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে । তবে শীতকালে ঠান্ডা দুধ না খাওয়া উচিত । শীতকালে ঠান্ডা দুধ খেলে শরদি কাসি হতে পারে ।
 
দুধের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
 
এক গ্লাস দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমানের পুষ্ঠি গুনাগুন ও ভিটামিন । নিচে দুধের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা হলো ।
১ ত্বক উজ্জলতা বৃদ্ধি করে
 
দুধে প্রচুর পরিমানে পুষ্টিগুণ থাকার ফলে ত্বক নরম,কমল,মসৃন করতে সাহায্য করে । তােই আমাদের প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খাওয়া উচিত ।
২ মানসিক চাপ থেতে মুক্ত
 
প্রতিদিন দুধ খেলে মাথা ঠান্ডা থাকে । মস্তিষ্ক শিতল থাকার ফলে মানসিক চাপ কম হয়ে থাকে এবং ঘুম বেশি হয় ও চিন্তা কম হয়ে থাকে ।
 
৩ আ্যসিডিটি দূর করে
 
আ্যসিলিডিটি থেকে মুক্ত থাকার জন্য দুধ বেশি কাযকারিতা । কারন দুধু পাকস্থলী ঠান্ডা করে এবং হজম শক্তি বাড়ায়। যার ফলে বুকের জ্বালাপোড়া দুর করে ।
৪ ওজন কমাতে সাহায্য করে 
 
প্রতিদিন দুধ পান করলে অন্য খাদ্যের চাহিদা কমে যায় । ওজন কমাতে প্রতিদিন দুধ খাওয়া উচিত ।
৫ মাংসপেশি গঠন করে
 
দুধে আছে প্রটিন,ক্যালসিয়াম, ভিটামিন যা মাংসপেশি গঠনে সাহায্য করে থাকে । নিয়োমিত দুধ পান করলে মাংসপেশি গঠনে সাহায্য করে ।
 
৬ দাঁত মজবুত করে
 
দুধে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন থাকার ফলে দাঁত মজবুত করতে সাহায্য করে । সকল বয়সের মানুষের নিয়ামিত দুধ পান করা উচিত ।
৭ রক্তচাপ থেকে বিরত রাখে
 
রক্তচাপ থেকে মুক্ত থাকার জন্য দূধ প্রধান একটি খাবার । দুধে আছে পটাশিয়াম যা রক্তনালী সতেজ রাখে। তাই রক্তচাপ হয় না। আমাদের রক্তচাপ কমাতে বেশি বেশি দুধ পান করতে হবে।
 
৮ চুলের পুষ্টি
 
চুলের যত্ন কেনা করে । দুধে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন যা চুলের পুষ্টি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই চুলকে আরো ঘনো ও সুন্দর করতে বেশি করে দুধ পান করতে হবে ।
 
৯ রোগ প্রতিরোধের জন্য
 
প্রটিন,ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বেশি থাকার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে ।
 
১০ শক্তি উৎপাদন 
 
দুধে আছে ক্যালসিয়াম ছাড়াও ক্যালোরি । শক্তি উৎপাদনের জন্য ক্যালোরি সাহায্য করে থাকে ।
 
 
আমাদের পোষ্ট টি ভালো লাগলে ফেসবুকে শেয়ার করে ভুলবেন না !!
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *